১০নং হাইলধর ইউনিয়ন
এক নজরে হাইলধর বর্তমান চেয়ারম্যান পূর্বতন চেয়ারম্যানবৃন্দ বর্তমান পরিষদ
ইউনিয়নের ইতিহাস দর্শণীয় স্থান প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব ফটো গ্যালারী
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যোগাযোগ ব্যবস্থা গ্রাম পুলিশ গ্রাম আদালত
গ্রাম ভিত্তিক লোকসংখ্যা ভাষা ও সংস্কৃতি হাট বাজার ভূমি অফিস
এক নজরে ১০ নং হাইলধর ইউনিয়ন

হাইলধর ইউনিয়ন আনোয়ারা উপজেলার আওতাধীন ১০নং ইউনিয়ন পরিষদ । এটি আনোয়ারা থানার আওতাধীন। এ ইউনিয়ন জাতীয় সংসদের ২৯০নং নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম-১৩ এর অংশ।
আয়তনঃ ৩৮৮৫ একর (১৫.৭২ বর্গ কিলোমিটার)।
লোকসংখ্যাঃ পুরুষ ১৩১৭৭ এবং মহিলা ১৩০৪২, মোট ২৬,২১৯ । (আদমশুমারি ২০১১)
শিক্ষার হারঃ ৫১.৪৮% । (আদমশুমারি ২০১১)
পোস্ট কোডঃ ৪৩৭৬

এ ইউনিয়নের মোট ১১ টি গ্রাম রয়েছেঃ খাসখামা, গুজরা, কুনিরবিল, তেকোটা, হেটিখাইন, মালঘর, উত্তর ইছাখালী, ওলঘর, হাইলধর, দক্ষিণ ইছাখালী, পীরখাইন ।
হাইলধর ইউনিয়নের ৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২টি মাদ্রাসা ও ৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

বর্তমান চেয়ারম্যান

নামঃ মুহাম্মদ নাজিম উদ্দীন

বর্তমান ঠিকানাঃ বশির চেয়ারম্যানের বাড়ী, গ্রাম-হাইলধর, ডাকঘর-হাইলধর, উপজেলা-আনোয়ারা, জেলা-চট্টগ্রাম।
স্থায়ী ঠিকানাঃ বশির চেয়ারম্যানের বাড়ী, গ্রাম-হাইলধর, ডাকঘর-হাইলধর, উপজেলা-আনোয়ারা, জেলা-চট্টগ্রাম।

ইউনিয়ন পরিষদের পূর্বতন চেয়ারম্যানবৃন্দ

চেয়ারম্যানের নাম জনাব নবাব উদ্দিন চৌধুরী
দায়িত্বকাল ০৩/০৫/১৯৭৪ ইং হইতে ৩০/১২/১৯৭৬ ইং পর্যন্ত।

চেয়ারম্যানের নাম জনাব আখতারুজ্জামান চৌধুরী
দায়িত্বকাল ০১/০১/১৯৭৭ ইং হইতে ১৫/০৩/১৯৮৪ ইং পর্যন্ত।

চেয়ারম্যানের নাম জনাব আবুল বশর চৌধুরী।
দায়িত্বকাল ১৫/০৩/১৯৮৪ ইং হইতে ৩০/০৪/১৯৯২ ইং পর্যন্ত।

চেয়ারম্যানের নাম জনাব রেজাউল করিম চৌধুরী।
দায়িত্বকাল ০১/০৫/১৯৯২ ইং হইতে ০৪/০২/১৯৯৮ ইং পর্যন্ত।

চেয়ারম্যানের নাম জনাব ফরিদুল আলম চৌধুরী।
দায়িত্বকাল ০৫/০২/১৯৯৮ ইং হইতে ১১/০৩/২০০৩ ইং পর্যন্ত।

চেয়ারম্যানের নাম জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী
দায়িত্বকাল ১২/০৩/২০০৩ইং হইতে............ পর্যন্ত।
বর্তমান পরিষদ

চেয়ারম্যানঃ মুহাম্মদ নাজিম উদ্দীন

হাইলধর ইউনিয়নের ইতিহাস

ব্রিটিশ শাসনামলের আনুমানিক ১৯৪৩ সালে ১১টি গ্রাম এবং ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে হাইলধর ইউনিয়ন গঠিত হয়। ঐ সময়ে ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান কে গ্রাম প্রেসিডেন্ট বলা হত। ১৯৫০ সালে পাকিস্তান শাসনামলে গ্রাম প্রেসিডেন্ট এর পদকে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদবী ঘোষণা করা হয়। ১৯৫৪ সালে প্রথম গ্রাম প্রেসিডেন্ট হন নবাব উদ্দিন চৌধুরী। তারপর পর্যায়ক্রমে আখতারুজ্জামান চৌধুরী,আবুল বশর চৌধুরী,রেজাউল করিম চৌধুরী,ফরিদুল আলম চৌধুরী পর্যায় ক্রমে গ্রাম প্রেসিডেন্ট এর দায়িত্ব পালন করেন।

দর্শনীয় স্থান

নামঃ হাজী দৌলত মাজার শরীফ ।
কিভাবে যাওয়া যায়ঃ মালঘর বাজার হইতে দক্ষিণে ২০-২৫ টাকায় রিক্সা বা সিএনজি যোগে এ মাজার শরীফে যাওয়া যায়।
অবস্থানঃ বর্তমান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর বাড়ীর পার্শ্বে এবং সাঙ্গু নদীর পাড়ে দক্ষিণ হাইলধর নামক গ্রামে এর অবস্থান

নামঃ রহম আলী শাহী দরবার শরীফ ।
কিভাবে যাওয়া যায়ঃ মালঘর বাজার হইতে সিএনজি বা রিক্সা যোগে ১৫-২০ টাকায় গ্রাম খাসখামা নামক গ্রামে এর অবস্থান ।
অবস্থানঃ গ্রাম-খাসখামা, ডাক-মালঘর, থানা-আনোয়ারা, জেলা-চট্টগ্রাম।

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব


সাইফুজ্জামান চৌধুরী (জাবেদ) ।
প্রতিমন্ত্রী, ভূমি মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

ফটো গ্যালারী


শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

মাধ্যমিক বিদ্যালয়

০১। বশিরুজ্জামান স্মৃতি শিক্ষা কেন্দ্র ।
প্রতিষ্ঠাকালঃ
প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষঃ বখতেয়ার মাহমুদ ।

০২। খাসখামা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ।
প্রতিষ্ঠাকালঃ
প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষঃ মোঃ আবদুর রশিদ ।

০৩। নিত্যানন্দ উচ্চ বিদ্যালয় ।
প্রতিষ্ঠাকালঃ
প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষঃ মোখলেছুর রহমান ।

০৪। পীরখাইন মাওলানা আশরাফ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় ।
প্রতিষ্ঠাকালঃ
প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষঃ আবদুল কাদের ।

প্রাথমিক বিদ্যালয়

০১। হাইলধর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ।
প্রতিষ্ঠাকালঃ ১৯৩০ ইংরেজী

০২। তেকোটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ।
প্রতিষ্ঠাকালঃ ১৯২৭ ইংরেজী
প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষঃ

০৩। খাসখামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ।
প্রতিষ্ঠাকালঃ ১৯২৫ ইংরেজী
প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষঃ

০৪। মালঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ।
প্রতিষ্ঠাকালঃ ১৯২৮ ইংরেজী
প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষঃ

০৫। গুজরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ।
প্রতিষ্ঠাকালঃ ১৯৪৩ ইংরেজী
প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষঃ

০৬। ৭৯ নং কুনির বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ।
প্রতিষ্ঠাকালঃ ১৯৩২ ইংরেজী
প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষঃ

০৭। গুজরা-তিশরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ।
প্রতিষ্ঠাকালঃ ১৯৭২ ইংরেজী
প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষঃ

যোগাযোগ ব্যবস্থা

হাইলধর ইউনিয়নে যোগাযোগের প্রধান ২টি সড়ক আনোয়ারা-হাইলধর সড়ক ও পরৈকোড়া-হাইলধর সড়ক ।
প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ।

উপজেলা সদর থেকে হাইলধর ইউনিয়ন পরিষদ সহ বিভিন্ন গ্রামের যাতায়াত ব্যবস্থা-
ক) উপজেলা সদর থেকে মালঘর বাজার পর্যন্ত সিএনজিতে ১০ টাকা (জনপ্রতি)।
খ) মালঘর বাজার থেকে ইউনিয়ন পরিষদ সিএনজিতে ১০ টাকা জন প্রতি, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চাঁনখালী ঘাট ও ফকিরহাট পর্যন্ত সিএনজিতে ৫-১০ টাকা (জনপ্রতি)।
গ) মালঘর বাজার থেকে ইউনিয়ন পরিষদ রিক্সায় ২০-২৫ টাকা।
ঘ) মালঘর বাজার থেকে বরকল ব্রীজ পর্যন্ত সিএনজিতে ৫ টাকা (জনপ্রতি), রিক্সাযোগে ১০ টাকা (জনপ্রতি)।
ঙ) মালঘর বাজার থেকে খাসখামা দীঘির পাড় পর্যন্ত সিএনজিতে ১০ টাকা (জনপ্রতি)।

গ্রাম পুলিশ

১। আবুল বশর
২। আনোয়ার মিয়া
৩। সিরাজ মিয়া
৪। নাজিম উদ্দিন
৫। মীর কাশেম
৬। এমরান হোসেন
৭।মোহাম্মদ শাহজাহান
৮। আবদুর রহিম
৯। মোহাম্মদ সেলিম
১০। মোহাং মফিজ মিয়া

গ্রাম আদালত

স্হানীয়ভাবে পল্লী অঞ্চলের সাধারণ মানুষের বিচার প্রাপ্তির কথা বিবেচনায় নিয়ে স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে প্রণীত হয় গ্রাম আদালত অধ্যাদেশ। পরবর্তীতে ২০০৬ সালের ০৯ মে ১৯ নং আইনের মাধ্যমে প্রণীত হয় গ্রাম আদালত আইন ।এ আইনের মূল কথাই হলো স্হানীয়ভাবে স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পিত্তি।নিজেদেন মনোনীত প্রতিনিধিদের সহায়তায় গ্রাম আদালত গঠন করে বিরোধ শান্তি পূর্ণ সমাধানের মাধ্যমে সামাজিক শান্তি ও স্হিতিশীলতা বজায় থাকে বলেই এ আদালতের মাধ্যমে আপামর জনগণ উপকৃত হচ্ছেন । গ্রামাঞ্চলের কতিপয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেওয়ানী ও ফেৌজদারী বিরোধ স্হানীয়ভাবে নিষ্পত্তি করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় যে আদালত গঠিত হয় যে আদালতকে গ্রাম আদালত বলে । গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ এর আওতায় গ্রাম আদালত গঠিত হবে ।
কম সময়ে, অল্প খরচে, ছোট ছোট বিরোধ দ্রুত ও স্হানীয়ভাবে নিষ্পত্তি করাই গ্রাম আদালতের উদ্দেশ্য । গত ০৯ মে ২০০৬ তারিখ হতে গ্রাম আদালত আইন কার্যকর হয়েছে ।
৫ (পাচ) জন প্রতিনিধির সমন্বয়ে গ্রাম আদালত গঠিত হয় ।
এরা হলেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, আবেদনকারীর পক্ষের ২ জন প্রতিনিধি (১ জন ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার এবং ১ জন গণ্যমান্য ব্যক্তি)।
প্রতিবাদীর পক্ষের ২ জন প্রতিনিধি (১ জন ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার এবং ১ জন গণ্যমান্য ব্যক্তি) ।

ফৌজদারী বিষয়
১। চুরি সংক্রান্ত বিষয়াদি ।
২। জগড়া-বিবাদ ।
৩। শক্রতামূলক ফসল, বাডি বা অন্য কিছুর ক্ষতি সাধন ।
৪। গবাদী পশু হত্যা বা ক্ষতিসাধন ।
৫। প্রতারণামুলক বিষয়াদি।
৬। শারিরীক আক্রমণ, ক্ষতি সাধন, বল প্রয়োগ করে ফুলা ও জখম করা ।
৭। গচিছত কোনো মুল্যবান দ্রব্য বা জমি আত্নসাৎ ।

দেওয়ানী বিষয়
১। স্হাবর সম্পতি দখল পুনরুদ্ধার ।
২। অস্হাবর সম্পত্তি বা তার মূল্য আদায় ।
৩। অস্হাবর সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় ।
৪। কৃষি শ্রমিকদের প্রাপ্য মজুরী পরিশোধ ও ক্ষতিপুরণ আদায়ের মামলা ।
৫। চুক্তি বা দলিল মূল্যে প্রাপ্য টাকা আদায় ।

গ্রাম ভিত্তিক লোকসংখ্যা

খাসখামা ৩০৭০ জন ।
গুজরা ২৭৩০ জন ।
কুনিরবিল ৮১২ জন ।
তেকোটা ১৬৯০ জন ।
হেটিখাইন ১৭১০ জন ।
মালঘর ১০৮০জন ।
উত্তর ইছাখালী ১২৮৩ জন ।
হাইলধর ৩৪২৬ জন ।
দক্ষিণ ইছাখালী ১৯৩৫ জন ।
পীরখাইন ২৯৯৯ জন ।

তথ্য সূত্র- আদমশুমারী ২০১১ ।

ভাষা ও সংস্কৃতি

হাইলধর ইউনিয়নে মুসলিম, হিন্দু, জনগোষ্ঠি সুদীর্ঘ কালধরে শান্তিপূর্ণ ভাবে সহঅবস্থান করছে। ঐতিহ্যগতভাবে এ ইউনিয়নের মানুষ শান্তি প্রিয়, সৎ আলাপি, অতিথি পরায়ন, শিক্ষিত ও অত্যান্ত আন্তরিক ও বিনয়ী।
প্রায় শতভাগ মানুষ বাংলা ও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে।

হাট-বাজারের-তালিকা

১। মালঘর বাজার
২। ফকির হাট (মিয়া হাজী দৌলত মাঝার সংলগ্ন)
৩। পালের হাট
৪। খোদার হাট

ইউনিয়ন ভূমি অফিস

হাইলধর ইউনিয়ন ভুমি অফিসটি ছত্তার হাট বাজারে অবস্থিত ।